বৃহস্পতিবার, ১৩ মে ২০২১, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন’ সিনিয়র সাংবাদিক মোঃনেজাম উদ্দিন ভাই বকশীগঞ্জে ১হাজার দুস্থ অসহায় মানুষের মাঝে মহিলা আ’লীগের সভাপতি শাহিনার বস্ত্র বিতরণ বকশীগঞ্জ উপজেলা ছাত্র ও যুব অধিকার পরিষদের উদ্যোগে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ সম্পূর্ণ। শ্রীনগরে ছত্রভোগে লাথি মেরে গর্ভের সন্তান নষ্ট করার অভিযোগে গ্রেফতার ১ বান্দরবানে সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসীদের আস্তানা থেকে এসএমজি সহ গুলি সরঞ্জাম উদ্ধার বকশীগঞ্জে ৪৪ জন মহিলার মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ বকশীগঞ্জে উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের নগত অর্থ বিতরণ বকশীগঞ্জ থানার এএসআই মাহফুজুর রহমান তিন মাসেই সেরা জামালপুর জেলার মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে অভ্যন্তরীন বোর ধান/চাল সংগ্রহ শুভ উদ্বোধন

বিজয়ের মাস গৌরবের মাস




শেরপুর সদর উপজেলার চকসাহাব্দী গ্রামের ফাতেমা বেগম দূধর্ষ ডাকাতি করায় গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় | বুধবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭১৭ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : সম্প্রতি শেরপুর সদর উপজেলার চকসাহাব্দী গ্রামের বাসিন্দা গত চলতি বছরের ২৯ আগষ্ট, ফাতেমার পরিকল্পিত নারায়নগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার দড়িগুতিয়াব গ্রামে রানুর বাড়ীতে দূধর্ষ ডাকাতি করেন।

২৬ এপ্রিল সোমবার ২০২১ ইং – শেরপুর সদর সাপমারী গ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফাতেমা বেগম (৩৫) শেরপুর সদর উপজেলার চকসাহাব্দী গ্রামের মৃত: নৈইমদ্দিন ও মাতা সালেমন বেগম এর মেয়ে। ফাতেমা বেগম দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও আবাসিক হোটেলে অশালীনভাবে কাজ করে ঘুরে ঘুরে মানুষকে ঠকিয়ে জীবিকা অর্জনই ছিল তার পেশা। কিন্ত ভাগ্যের পরিহাস ১ (এক) বছর পূর্বে আত্মীয়তার পরিচয় সুবাদে ফাতেমা তার নিজ গ্রামের আলহাজ আনিসুর রহমানের শ্বশুড়বাড়ি নারায়নগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার দড়িগুতিয়াব গ্রামে নিরুপায় হয়ে মোসাঃ রানু’র বসতভিটাতে আশ্রয় নেয়। আশ্রয়কালে দুইদিন পার হওয়ার পর ফাতেমার করুন কান্নায় হৃদয়বান হয়ে মোসাঃ রানু (৬০) তাকে এ/পি সাং-রঘুরামপুর (সুবাহানের ছেলের রেস্টুরেন্ট) কর্মের ফিকির করে দেন। জানা যায়, বেশ কিছুদিন মোসাঃ রানু’র স্বামী বাড়িতে না থাকায় মাঝে মধ্যে রানু বেগমের সহিত একই বিছায় রাত্রিযাপন করত। কিন্তু করোনা ভাইরাসের সতর্কতার তাগিদে ফাতেমা বেগমকে বাসায় আশ্রয় দিতে মানা করার পরই শত্র“তা সৃষ্টি হয়। কিন্তু এতেই ক্ষান্ত হয়নি ফাতেম পরিকল্পতিভাবে সে গত চলতি বছরের ২৯ আগস্ট ফের রানু’র বাড়িতে গিয়ে উঠে এবং শেষ বারের মতো আজ রাতই শেষ রাত্রি যাপন করিবে বলে আশ্রয় নেয়। রানু’র স্বামী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ওরফে সিদ্দিক সেই রাতেও বাড়ীতে না থাকায় ফাতেমা বেগম শুয়ে তার চিন্তা-ভাবনা কাজে লাগাতে থাকে। রাত্রি যখন প্রায় সাড়ে ১২টা ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে হত্যা করার উদ্দেশে ঘরে থাকা লোহার দা দিয়ে তার বুকের উপর চেপে বসে মাথায় কুপ মারিলে, তার মাথার ডান পাশে কুপ লেগে গুরুতর কেটে রক্তাক্ত খরন, জখম ও ৬ টি সেলাই দিতে হয়। রানু জাগিয়া উঠিলে ঘাতক ফাতেমার দা’র গাড়া দিয়ে তাকে এলোপাথারীভাবে মারদর করিলে বাম চখের নিচে কেটে রক্তাক্ত জখম ও ২টি সেলাই দিতে হয় এক পর্যায়ে ঘাতক ফাতেমা তাহার ওড়না দিয়ে তার গলায় ফাস দেওয়ার চেষ্টা করিলে ধস্তা-ধস্তিতে ফাতেমা তাহার বাম হাতের মধ্য আঙ্গুলে কামড় দিয়ে আঙ্গুলের মাথা কেটে ফেলে দুই হাতের আঙ্গুল ও কব্জিসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়াইয়া রক্তাক্ত ও বেদনাদায়ক জখম করে অবশেষে তার তল পেটেও কামড় দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। রানু চিৎকার করিলে তাহার প্রতিবেশিরা ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকিলে দেখে রানু বেগমকে বেদড়কভাবে গুরুত্বর অবস্থায় গলায় উড়না পেচানোসহ ঘাতক ফাতেমা রানু বেগমকে মেরে ফেলার চেষ্টা করে ও ঘরে থাকা টাকা ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নিয়ে কেরোসিন ও দিয়াশালাই দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে দিবে বলে জানান ফাতেমা। কিছুদিন জেলও খাটে। কিছু অসত ব্যবসায়ী তাকে জেল থেকে ছাড়িয়ে আনে।

কিন্তু ঘাতক ফাতেমা বেগম আবার চড়াও হয়ে কিছুদিন পর থেকে রানু বেগমকে হুমকি দেয়, তাকে মেরে ফেলবে, বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসবে এবং রানু বেগমের মেয়েকে তুলে নিয়ে যাবে বলে হুমকি দিচ্ছে। এ কথা শুনে রানু বেগম তার পরিবার পরি-জনকে বিষয়টি জানালে তারা নিরাপত্তার জন্য গণ্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গের সুক্ষ্যভাবে রুপগঞ্জ থানায় উপস্থিত হয়ে একটি সাধারণ ডায়রি করেন। রানু বেগমের রক্তাক্ত অবস্থা দেখে রুপগঞ্জ থানার ওসি জানান যে, ঘাতক ফাতেমার কটোর থেকে কটোর শাস্তি হবে।

শেরপুর সদর উপজেলার চকসাহাব্দীর সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ফাতেমা বেগম একজন ভাসবান পতিতা সে বিভিন্ন গেষ্ট হাউস, আবাসিক হোটেলে কাজ করে থাকে এবং কি তার বিবাহ জীবনে প্রথমে কৈডোলা শাহবাজপুর বিয়ে হয়, ২য় বিবাহ দিনাজপুর ৩য় বিবাহ নিজ গ্রামে ৪র্থ সাতপাকিয়া ৫ম বিয়েও সাতপাকিয়া গ্রামে ৬ষ্ঠ বিয়ে শেরপুর শহরের ভাতশালা তার মধ্যে ৫ পিত্রালয়েই ফাতেমার বেগমের ওরজজাত সন্তান রয়েছে বিবাহের সম্পর্ক বিভিন্ন গেষ্ট হাউস’র মাধ্যমেই ইতি ঘটে।

স্থানীয়বাসী আরও জানায় এই বিয়ে-বিয়ে নিয়ে এই ফাতেমা কতইনা জরিমানা খাইলো, আর জেলও খাটলো। এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জানান, ফাতেমা যদি এখনো ক্ষান্ত না হয় তাহলে ফাতেমার সকল কু-কীর্তি প্রশাসনসহ পাঠকের জ্ঞাতার্থে জানিয়েছেন এবং হুশিয়ারি হাক দিয়েছেন সচেতন মহল।
২৬ এপ্রিল সোমবার শেরপুর সদর সাপমারী গ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে, এবং তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়। অফিসার ইনচার্জ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তার পিছনে কার কার হাত রয়েছে সেগুলোকে ধরার জন্য রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসা বাদ করা হবে। যেন সূষ্ঠ্য বিচার পান বাদীপক্ষ।

নিউজটি সেয়ার করুন:
it.durjoybangla




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

সেহরির শেষ সময় - ভোর ৩:৫৩ পূর্বাহ্ণ
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫৮ পূর্বাহ্ণ
  • ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
  • ৪:৩২ অপরাহ্ণ
  • ৬:৩৫ অপরাহ্ণ
  • ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
  • ৫:১৮ পূর্বাহ্ণ




©২০১৮ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক লাল সবুজের ১১ নং সেক্টর অব বাংলাদেশ

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102