শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বকশীগঞ্জে ঘাতক বাস কেড়ে নিলো এক বৃদ্ধার প্রাণ শেরপুরে কমিউনিটি সেন্টার কাম ব‍ানিজ‍্যিক ভবন এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন চিরিরবন্দরে অপরিকল্পিত ও দায়সাড়া ভাবে নির্মিত বাঁধের কারনেঃ মাস না যেতে ভেঙে গেছে প্রকাশ্যে ধুমপান বন্ধে আইন মানছে না কেউ,,বা মানা হচ্ছে না কেন? কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হালুয়াঘাটে পাহাড়ি ঢল আর অবিরাম বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত তোমার কাড়ি কইগো কন্যা ডোমারের চিলাহাটি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও এলএসডি গোডাউন যাতায়াতের প্রধান রাস্তাটির বেহাল দশা চিরিরবন্দর উপজেলায় রাশাস-এর উদ্দ্যােগে ৭০বছরের সমস্যাঃ সমাধান শেরপুরে পাহাড়ি ঢল আর অবিরাম বর্ষণে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
durjoybangla.com_add

জন্মগত প্রতিবন্ধী হয়েও আজও সরকারী কোন সুবিধা পাননি হারুন অর রশিদ

রিপোর্টারঃ
  • প্রকাশের সময় | শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০
  • ৪৫ বার পঠিত
ফরিদ মিয়া নান্দাইল ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ
ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার বাসিন্দা মোঃহারুন আর রশিদ। জন্মগতভাবে প্রতিবন্ধী হওয়ায় কাজ করতে পারেন না তেমন। জন্মের পর থেকেই তার বাম হাতটি অচল।
গরিব পরিবারে জন্মগ্রহন করায় হারুন অর রশিদের চিকিৎসাও কপালে জোটেনি। এর পরেও থেমে নেই তার জীবন সংগ্রাম।
বলছিলাম ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাও ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মৃত মোতালেব এর ছোট পুত্র হারুন অর রশিদের কথা। জীবন সংগ্রামে যিনি অপরাজিত সৈনিক।
তিনি প্রতিবন্ধী থাকা সত্বেও নিজের ইনকামেই চলছিল সংসার। গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরে তিনি কাজ করে কোন রকমে চলতো সংসার। স্বামীর পাশাপাশি হারুন অর রশিদের স্ত্রীও বাসায় বাসায় কাজ করে অল্প আয় করতো।
কিন্তু দুজনের সল্প আয়ে বাসা ভাড়া ও সংসার খরচে অশশিষ্ট থাকতো না কিছুই। সংসার জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের পিতা। টাকার অভাবে মেয়ে রিমা আক্তারকে পড়ালেখা করাতে পারেননি। একমাত্র ছেলে ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্র জুনাঈদ ইসলামও ঝড়ে পড়ছে স্কুল থেকে।
কিন্তু করোনার কারনে বর্তমানে হারুন অর রশিদ পরিবার নিয়ে গত চার মাস যাবৎ নিজ বাড়িতে অবস্থান করছেন। বাবার পৈতৃক সম্পত্তি বলতে ৩ শতক জমি থাকলেও নেই কোন নিজস্ব ঘর।
পরিবার নিয়ে থাকতে হচ্ছে গাদাগাদী করে তার অপন বড় ভাই সুনু মিয়ার ঘরে। হত দরিদ্র হারুন অর রশিদ দিন পার করছে খেয়ে না খেয়ে। তবুও এখনো জোটেনি তার কপালে সরকারি কোন সুযোগ সুবিধা।
জানতে চাইলে হারুন অর রশিদ ভারাক্রান্ত মনে বলেন, আমার একটা হাত অচল, কাজ করতে পারনিনা। তবুও কষ্ট করে দিন পার করছি। এরপরেও আমাকে কোন ধরনের সরকারী সুযোগ সুবিধা দেয়নি স্থানীয় ভাবে৷ আমি চেয়ারম্যানের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও কোন সুবিধা করে দেননি।
এমনকি ১০টাকা কেজি চালের একটা কার্ডও নেই।আমার কোন ঘর নাই থাকার, ভাইয়ের ঘরে থাকতেছি, বর্তমানে আমি যে অবস্থায় আছি তাতে ঘর বাধার মত কোন পরিস্থিতি নেই।
স্থানীয় কয়েক জনের সাথে বলেও হারুন অর রশিদের অসহায়ত্বের প্রমান পাওয়া যায়। এবিষয়ে মন্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান একেএম মোফাজ্জল হোসেন কাইয়ুম এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, হারুন অর রশিদের প্রতিবন্ধীর মেডিক্যাল সার্টিফিকেট আমাকে দিলে আমি দুই দিনের ভিতরেই তার প্রতিবন্ধী কার্ড করে দিবো।
ঘরের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঘরের বিষয়টা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তদারকি করছেন। তার পরেও দেখছি কি করা যায়।
নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ এরশাদ উদ্দিনকে অবহিত করলে তিনি বলেন প্রশাসনিক ভাবে তার প্রতিবন্ধী কার্ড ও ঘরের ব্যাববস্থা করে দেওয়া হবে।৷
নিউজটি সেয়ার করুন:
it.durjoybangla

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

সেহরির শেষ সময় - ভোর ৪:২৭ পূর্বাহ্ণ
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা ৬:০৬ অপরাহ্ণ
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:৩২ পূর্বাহ্ণ
  • ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
  • ৪:১৯ অপরাহ্ণ
  • ৬:০৬ অপরাহ্ণ
  • ৭:২০ অপরাহ্ণ
  • ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ

©২০১৮ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক লাল সবুজের ১১ নং সেক্টর অব বাংলাদেশ

কারিগরি সহযোগিতায় durjoybangla.com
themesba-lates1749691102