মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঝিনাইগাতী উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক হলেন আব্দুল মোতালেব তারাকান্দা ও ফুলপুরে পানিতে ডুবে ২ শিশুর মৃত্যু কবিতা জিবন মানে। এম এ রহিমের দাদার মৃত্যুতে দৈনিক লাল সবুজের ১১নং সেক্টর অব বাংলাদেশ পত্রিকার সম্পাদকের শোক নীলফামারীর সৈয়দপুরে কুরবানীর মাংস নিয়ে যাওয়ার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ১ কবি ডা.মিজানুর মাওলা’র শোকাবহ শ্রদ্ধাঞ্জলি কবিতা- “তুমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব” অটোবাইক নিয়ে পালানোর সময় নারী সহ আটক-৩ ডোমার পৌরসভা জাতীয় পার্টির দ্বী- বার্ষিক সম্মেলন হাবিবুল্লা সভাপতি, হাসান সাধারন সম্পাদক বক‌শীগঞ্জ যাত্রী প‌রিবহ‌নে নৈরাজ‌্য : মানা হ‌চ্ছেনা স্বাস্থ‌্যবি‌ধি প্রবাসীকে চেয়ারম্যান বানাতে বর্তমান চেয়ারম্যানকে ক্রসফায়ারের পরিকল্পনা ওসি প্রদীপের

*শেখ হাসিনার মুক্তিতে প্রধান ভূমিকায় ওরা ১১ জন*

রিপোর্টারঃ
  • প্রকাশের সময় | শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২০
  • ৬৭ বার পঠিত

অনলাইন ডেস্কঃ

ওয়ান ইলেভেনের সময় শুরু হয়েছিল মাইনাস ফর্মুলা। আর এই মাইনাস ফর্মুলা বাস্তবায়নের জন্য গ্রেপ্তার করা হয়, যার হাত ধরে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছিল সেই শেখ হাসিনাকে। ওয়ান ইলেভেনে বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়া যারা শুরু করেছিল, তারা জানতো যে, শেখ হাসিনাকে যদি গ্রেপ্তার করা যায়, তাকে যদি মাইনাস করা যায়, তাহলেই বাংলাদেশে অরাজনৈতিক এবং অনির্বাচিত সরকার দীর্ঘদিন জগদ্দল পাথরের মতো টিকে থাকতে পারবে। আর এ কারণেই তারা কতগুলো মিথ্যা বানোয়াট মামলা দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতিকে গ্রেপ্তার করেছিল। এই গ্রেপ্তারের পর আওয়ামী লীগের তৃণমূল এবং সাধারণ মানুষ তার মুক্তির জন্য সবকিছু করেছে। শেখ হাসিনা নিজেও বলেন যে, তৃণমূলের শক্তিতেই তিনি কারামুক্তি লাভ করতে পেরেছিলেন এবং গণতন্ত্রও মুক্তি পেয়েছিল। তৃণমূলের যারা নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য যারা অবদান রেখেছিলেন এরকম ১১ জনকে নিয়ে এই প্রতিবেদন-*

*প্রয়াত জিল্লুর রহমান: জিল্লুর রহমান সে সময় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। শেখ হাসিনা যখন গ্রেপ্তার হন, তখন তিনি জিল্লুর রহমানকে আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করেছিলেন। তিনি শুধু দলকে ঐক্যবদ্ধই রাখেননি বরং শেখ হাসিনার মুক্তির জন্য সব উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। তার দৃঢ় অনড় অবস্থানের কারণেই মাইনাস ফর্মুলা যেমন বাস্তবায়িত হয়নি, তেমনি শেখ হাসিনার মুক্তি ত্বরান্বিত হয়েছিল।*
*প্রয়াত সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম: শেখ হাসিনা গ্রেপ্তার হওয়ার আগেই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল। এরপর সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে করা হয় ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক থেকে আশরাফুল ইসলাম মাইনাস ফর্মুলার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন। দলকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। তৃণমূলকে সংগঠিত করেছিলেন এবং শেখ হাসিনার মুক্তির স্বপক্ষে কাজ করেছিলেন। রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত না থাকলে তার মুক্তি ত্বরান্বিত হতো না, সেটা বলাই বাহুল্য।*

*মতিয়া চৌধুরী: আওয়ামী লীগ সে সময় দুটো ধারায় বিভক্ত ছিল। একটি ছিল সংস্কারপন্থীদের ধারা। হেভিওয়েট অধিকাংশ নেতা সেই ধারায় ছিলেন। আরেকটি ছিল শেখ হাসিনার পক্ষের ধারা। শেখ হাসিনার পক্ষে যারা দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছিলেন, তাদের মধ্যে মতিয়া চৌধুরী ছিলেন অন্যতম।*
*অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন: অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন একাধারে সে সময় আইনজীবী এবং রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। শেখ হাসিনা গ্রেপ্তার হওয়ার পর প্রথম ফোন করেছিলেন অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনকে। তিনি ছুটে গিয়েছিলেন আদালতে। শেখ হাসিনার পক্ষে আইনি লড়াইয়ে তিনি প্রথম অংশগ্রহণ করেছিলেন।*

*অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম: অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামও সে সময় শেখ হাসিনার পক্ষে আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।*
*গওহর রিজভী: গওহর রিজভী সে সময় ওয়ান ইলেভেনের যারা নীতি নির্ধারক তাদের সঙ্গে সমঝোতা করেছিলেন। শেখ হাসিনার মুক্তি ত্বরান্বিত করার জন্য তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।*
*অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী: আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ছিলেন শেখ হাসিনার চিকিৎসক দলের প্রধান। শেখ হাসিনাকে যে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যাওয়া দরকার, এই কথাটা তিনি প্রথম উচ্চারণ করেছিলেন। এর প্রেক্ষিতেই চিকিৎসার জন্য শেখ হাসিনার মুক্তির বিষয়টি গণদাবিতে পরিণত হয়েছিল। এখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী।*

*ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত: ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীকে সহায়তা করেছিলেন। যেহেতু শেখ হাসিনার কানের সমস্যা ছিল। সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর নেতৃত্বে প্রাণ গোপাল দত্তসহ আরও কয়েকজন চিকিৎসক শেখ হাসিনাকে বিদেশ পাঠানোর জন্য ঐক্যবদ্ধ বিবৃতি দিয়েছিলেন।*
*ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ: আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ শেখ হাসিনার চিকিৎসক দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন। তিনিও শেখ হাসিনার চিকিৎসার জন্য তাকে বিদেশে নেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।*
*ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ: ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ছিলেন শেখ হাসিনার আইনজীবী প্যানেলের শীর্ষ আইনজীবী। শেখ হাসিনার পক্ষে আইনি লড়াইকে তিনি বেগবান করেছিলেন।*

*ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস: ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস সে সময় ছিলেন তরুণ আইনজীবী। যখন শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়, সে সময় তার সিনিয়র আইনজীবী যেমন- রোকন উদ্দিন মাহমুদ, ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলামরা তার মামলা লড়তে অস্বীকৃতি জানান। তখন ফজলে নূর তাপস আইনি লড়াই শুরু করেন। তিনিই ব্যারিস্টার শফিক আহমেদকে নেতৃত্বে আনেন।*
*শেখ হাসিনা তার নিজের যোগ্যতা, নিজের দৃঢ়তা এবং নিজের সততার কারণেই মুক্তি পেয়েছেন। তবে এই মুক্তির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে এই ১১ জনের অবদান অনস্বীকার্য।*

নিউজটি সেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

সেহরির শেষ সময় - ভোর ৪:০৯ পূর্বাহ্ণ
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৪:১৪ পূর্বাহ্ণ
  • ১২:০৭ অপরাহ্ণ
  • ৪:৪০ অপরাহ্ণ
  • ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
  • ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
  • ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ

©২০১৮ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক লাল সবুজের ১১ নং সেক্টর অব বাংলাদেশ

কারিগরি সহযোগিতায় durjoybangla.com
themesba-lates1749691102