শনিবার, ১৫ মে ২০২১, ০৭:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ১৯৮৯ ব্যাচের বন্ধুর বাসগৃহ উপহার। জামালপুরে সাংবাদিক লিটনের দাফন সম্পন্ন ঈদ মোবারক আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগের উপ-সমাজসেবা বিষয়ক সম্পাদক সুজন সরকার ঈদ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সবাইকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মেরুরচর ইউপি চেয়ারম্যান জেহাদ সবাইকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনমুন জাহান লিজা ইসলামপুরে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণ ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের শ্রীনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালকের মৃত্যু পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন’দিনাজপুর জেলার যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃআনোয়ার হোসেন। পবিত্র ঈদুল ফিতরের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন’ আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল হোসেন চৌধুরী

বিজয়ের মাস গৌরবের মাস




বুয়েটের ছাত্র হয়েও ঢাবির অর্থনীতিতে ক্লাস করতেন রুমী!

রিপোর্টারঃ
  • প্রকাশের সময় | রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২০
  • ২৯৯ বার পঠিত
https://www.dailylalsabujer11nosectorofbd.com

অনলাইন ডেস্কঃ

শাফী ইমাম রুমী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন গেরিলাযোদ্ধা। শহীদ জননীখ্যাত জাহানারা ইমামের বড় ছেলে।

জাহানারা ইমাম রচিত একাত্তরের দিনগুলি গ্রন্থে রুমী অন্যতম প্রধান চরিত্র।

ছেলে রুমী শহীদ হওয়ার জন্য জাহানারা ইমাম শহীদ জননী উপাধী পান। আজ এ মুক্তিযোদ্ধা শাফী ইমাম রুমীর শুভ জন্মদিন।

১৯৫১ সালের ২৯ মার্চ শরীফ ও জাহানারা ইমামের উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের পর যে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রুমীর জন্ম হয়, তিনি সদ্য ভূমিষ্ঠ এ শিশু সম্পর্কে তার মাকে বলেছিলেন– ‘এটি ১৯৫১ সাল। ২০ বছর পর ১৯৭১ সালে এই ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হবে।’

রুমী ঠিকই তার ভবিষ্যদ্বাণীর দিকে দ্রুতগতিতে এগোচ্ছিলেন। তিনি ছাত্র হিসেবে অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। ১৯৬৮ সালে স্টার মার্কস নিয়ে আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৭০ সালে ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এ ছাড়া বিশেষ অনুমতি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে ক্লাস করতেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবনে রুমী ছিলেন তুখোড় বিতার্কিক। নানান জ্ঞানে তার মস্তিষ্ক ছিল পূর্ণ। তিনি ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী, উদ্যমী ও প্রাণবন্ত।

ইতিমধ্যে আমেরিকার ইলিনয় ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে ভর্তি হওযার সুযোগ পান রুমী। যোগ্যতার সঙ্গেই তিনি ইলিনয় ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে ভর্তি হন। ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সেখানে ক্লাস শুরু হওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু যুদ্ধ শুরু হয়ে যাওয়ার পর আদর্শগত কারণে দেশকে যুদ্ধের মধ্যে রেখে তিনি বিদেশে নিরাপদ আশ্রয়ে নিজের ক্যারিয়ারের জন্য পড়তে যাননি।

যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ে রুমী ধারাবাহিকভাবে তার মা ও বাবাকে নিজের যুদ্ধে যাওয়ার ব্যাপারে রাজি করানোর চেষ্টা করেন। ১৯৭১ সালের ১৯ এপ্রিল মাকে অবশেষে রাজি করিয়ে ২ মে রুমী সীমান্ত অতিক্রমের প্রথম প্রয়াস চালান।

কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে তাকে ফেরত আসতে হয় এবং দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় সফল হন। তিনি সেক্টর ২-এর অধীনে মেলাঘরে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এই সেক্টরটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন খালেদ মোশাররফ ও রশিদ হায়দার। প্রশিক্ষণ শেষ করে তিনি ঢাকায় ফেরত আসেন এবং ক্র্যাক প্লাটুনে যোগ দেন। ক্র্যাক প্লাটুন হলো পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গেরিলা আক্রমণ পরিচালনাকারী একটি সংগঠন।

রুমী ও তার দলের ঢাকায় আসার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন হামলা করা। এ সময় তাকে ঝুঁকিপূর্ণ আক্রমণ পরিচালনা করতে হয় যার মধ্যে ধানমণ্ডির ১৮ ও ৫ নম্বর রোডের একটি আক্রমণ ছিল উল্লেখযোগ্য। সেখানে একটি পাকিস্তানি সেনা জিপ তাদের বহনকারী গাড়ির পিছু নিলে তিনি গাড়ির পেছনের গ্লাস ভেঙে ‘লুক লুক, এ জিপ ইজ ফলোয়িং আস’ বলে স্টেনগান ব্রাশফায়ার করেন।

তার গুলিতে পাকিস্তানি জিপের ড্রাইভার নিহত হয় এবং গাড়ি ল্যাম্পপোস্টে গিয়ে ধাক্কা খায়। বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি সেনা তার গুলিতে মারা যায়। ধানমণ্ডি রোডের অপারেশনের পর রুমী তার সহকর্মীদের মাঝে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। ১৯৭১ সালের ২৯ আগস্ট তিনি তার নিজের বাড়িতে কাটান এবং এই রাতেই বেশ কিছু গেরিলাযোদ্ধার সঙ্গে পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়েন।

পাকিস্তান হানাদার বাহিনী একটি অজ্ঞাত উৎস থেকে তথ্য নিয়ে বেশ কিছুসংখ্যক যোদ্ধাকে গ্রেফতার করে যার মধ্যে ছিলেন আলতাফ মাহমুদ, আবুল বারাক, আজাদ ও জুয়েল। রুমীর সঙ্গে তার বাবা শরীফ এবং ভাই জামীকেও ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।

কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে রুমী তার পরিবারের অন্য সদস্যদের কোনো কিছু স্বীকার করতে নিষেধ করেন, সব দায়ভার নিজে বহন করেন। তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘পাকবাহিনী তার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সচেতন এবং এর সব দায়দায়িত্ব তিনি নিজেই নিতে চান।’

একই সময়ে ধরা পড়া রুমীর সহযোদ্ধা মাসুদ সাদেক জানান, চরম অত্যাচার সহ্য করেও রুমী কারও নাম প্রকাশ করেনি। দুদিন ধরে অমানসিক নির্যাতন চালানোর পর পরিবারের অন্য সদস্যদের ছেড়ে দেয়া হলেও রুমীকে ছাড়া হয়নি।

ফিরে আসার সময় বাবা শরীফ ইমাম রুমীর কথা জিজ্ঞেস করলে পাকিস্তানি কর্নেল জানায়, রুমী একদিন পর যাবে, ওর জবানবন্দি নেয়া শেষ হয়নি। কিন্তু পরের সেই দিনটি আর আসেনি। ৩০ আগস্টের পর রুমী ও তার সহযোদ্ধা বদি এবং চুল্লুকেও আর দেখা যায়নি।

নিউজটি সেয়ার করুন:
it.durjoybangla




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো সংবাদ

আজকের নামাজের সময়সুচী

সেহরির শেষ সময় - ভোর ৩:৫০ পূর্বাহ্ণ
ইফতার শুরু - সন্ধ্যা ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ৩:৫৫ পূর্বাহ্ণ
  • ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
  • ৪:৩২ অপরাহ্ণ
  • ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
  • ৮:০০ অপরাহ্ণ
  • ৫:১৬ পূর্বাহ্ণ




©২০১৮ সর্বস্তত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | দৈনিক লাল সবুজের ১১ নং সেক্টর অব বাংলাদেশ

Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102